শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন

প্রধান পৃষ্ঠপোষকঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন
উপদেষ্টা সম্পাদকঃ জহির উদ্দিন স্বপন
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু
প্রধান সম্পাদকঃ লায়ন এস দিদার সরদার
সম্পাদকঃ কাজী মোঃ জাহাঙ্গীর
যুগ্ম সম্পাদকঃ মাসুদ রানা পলাশ
সহকারী সম্পাদকঃ লায়ন এসএম জুলফিকার
সংবাদ শিরোনাম :
কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি বলেই বেগম জিয়া ‘একজন আপোষহীন নেত্রী’-আবু নাসের মো: রহমাতুল্লাহ আন্তর্জাতিক সাংবাদিক আইনি প্রতিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার দোয়া মাহফিল রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে প্রশংসিত বরিশাল উত্তর জেলা নারী নেত্রী বাহাদুর সাজেদা বরিশালে সাংগঠনিক সফরে আসছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা: মাহমুদা মিতু দুই দিনের সফরে আজ বরিশাল আসছেন অতিথি গ্রুপ অব কোম্পানির এমডি লায়ন সাইফুল ইসলাম সোহেল  পিরোজপুর ভান্ডারিয়ার যুব মহিলা লীগ নেত্রী জুথি গ্রেফতার গৌরনদীতে তিন দফা দাবি আদায়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা প্রশাসনকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম গ্রেনেড হামলার মামলা থেকে তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতারা খালাস পাওয়ায় গৌরনদীতে আনন্দ মিছিল বরিশালের বাকেরগঞ্জসহ চারটি থানা এবং উপজেলায় নাগরিক কমিটি গঠন   আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা বিহীন বাংলাদেশ শান্তিতে থাকবে, এটা অনেকেরই ভালো লাগেনা-এম. জহির উদ্দিন স্বপন
করোনায় ঝরে পড়েছে পটুয়াখালীর অনেক শিশুর শিক্ষাজীবন

করোনায় ঝরে পড়েছে পটুয়াখালীর অনেক শিশুর শিক্ষাজীবন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ॥ করোনায় গত দেড় বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পটুয়াখালীতে ঝরে পড়েছে অনেক শিক্ষার্থী। অভাব-অনটনের কারণে শিক্ষা জীবনের ইতি টেনে অনেক শিশু নেমেছে কাজের সন্ধানে। এটি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে কথা হয় ১৬ বছরের কিশোর শফিকের সঙ্গে। গত বছর পর্যন্ত সে কুয়াকাটার চাপলি বাজার ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ট শ্রেণির ছাত্র ছিলো। তবে করোনার দীর্ঘ সময় স্কুল বন্ধ থাকায় ও পরিবারের আয় কমে যাওয়ায় শফিক এখন কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেঞ্চ পাহারার চাকরি নিয়েছে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল খোলার খবর শফিককে স্পর্শ করেনি। কারণ তার আর শিক্ষাজীবনে প্রবেশ করা হচ্ছে না। পাঁচ হাজার টাকা বেতনে সৈকতের বেঞ্চ পাহারায় স্থায়ী হবে সে।
শুধু শফিক নয় করোনাভাইরাসের কারণে অনেককে শিক্ষাজীবনের ইতি টানতে হয়েছে। এদের আরেকজন তৃতীয় শ্রেণির শিশু সুমাইয়া। এসময় তার বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাবার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা। কিন্তু সে এখন সমুদ্র সৈকতে মায়ের সঙ্গে শুটকি তৈরিতে ব্যস্ত। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, গত বছর মাধ্যমিক পর্যায়ে জেলায় ঝড়ে পরার হার ছিলো ২৭.১৫ শতাংশ। দেড় বছর যেহেতু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ সে কারণে এবার ঝড়ে পরার হার কিছুটা বাড়তে পারে। কিন্তু কিভাবে ঝড়ে পরার হার নিয়ন্ত্রণ করা যায় পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ছাইয়াদুজ্জামান জানান, গত বছর জেলায় প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ঝড়ে পরার হার ছিলো ৪.২৫ শতাংশ। তবে এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে এ সংখ্যা বাড়তে পারে। সে জন্য পরিস্থিতি বিবেচনায় অনলাইনে পাঠদান কিংবা অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষাজীবন স্বাভাবিক রাখতে কাজ করা হয়েছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017-2024 Dokhinerkhobor.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com